নিজস্ব প্রতিবেদক:: সিলেটের বিশ্বনাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার একমাত্র আসামি রবিউল ইসলামকে (২৪) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানার লালাবাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রবিউল ইসলাম বিশ্বনাথ উপজেলার আনরপুর গ্রামের দবির মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী বিশ্বনাথ উপজেলার শ্রীপুর এলাকার বাসিন্দা। প্রায় ১০ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর তিনি দুই ছেলেকে নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। প্রায় দেড় বছর আগে রবিউল ইসলামের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, রবিউল ইসলাম বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি থেকে বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীর বাসায় যাতায়াত ও রাতযাপন করতেন। এ সময় তিনি একাধিকবার তাঁকে ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ গত ২০ জুলাই রাত ১০টার দিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে ভুক্তভোগী বিয়ের জন্য চাপ দিলে রবিউল সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে গত ১৮ আগস্ট বিশ্বনাথ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলাটি বিশ্বনাথ থানার মামলা নম্বর-১৪, তারিখ ১৮ আগস্ট ২০২৬।
র্যাব-৯ জানায়, মামলা হওয়ার পর আসামিকে গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাঁকে বিশ্বনাথ থানায় হস্তান্তর করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘র্যাব আসামিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। পরে তাঁকে নিয়মিত মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।













