নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দশপাইকা গ্রামের টগবগে যুবক ডালিম খানের (৩২) দুটি কিডনিই বিকল। ‘প্রাণে প্রাণে বেজে উঠুক মানবতার গান, বাঁচুক মানবতা, বাঁচুন ডালিম খান’-এই শ্লোগানকে ধারণ করে তার
চিকিৎসার জন্যে তহবিল গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ একঝাঁক তরুণ ও যুবক। শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে তহবিলের সমৃদ্ধি ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানোর নিমিত্তে সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন তারা।
দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আরব খানের সভাপতিত্বে সদস্য শফিক আহমদ পিয়ারের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলতাব হোসেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবদুল হামিদ খান সুমেদ, চাউলধনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য আলতাফ হোসেন, দশপাইকা আলিম মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হোসাইন মো. সাইফুল্লাহ।
এ সময় বেঁচে থাকার আকুলতা জানিয়ে দেশ-বিদেশের বিত্তবানদের আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেন কিডনি বিকল যুবক ডালিম খান।
সভায় বক্তারা জানান, ডালিম খানের দুটি কিডনিই বিকল হয়ে গেছে। তিনি বর্তমানে কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা ব্যয় করে তাকে ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে।চিকিৎসক জানিয়েছেন, ডালিম খানকে বাঁচাতে হলে জরুরি ভিত্তিতে তার কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন প্রায় ৫০ লাখ টাকার। ইতোমধ্যে তার চিকিৎসা তহবিলে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রবাসীদের সহায়তার প্রায় ৬ লক্ষ টাকা জমা হয়েছে।ডালিমকে বাঁচাতে দেশে-বিদেশে থাকা বিত্ত ও হৃদয়বান মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন এলাকাবাসীর।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠক বকুল খান, কবির আহমদ, সোহেল আহমদ সেবুল, আবাছ খান, ছাব্বির আহমদ, সুলতান খান, রুমন খান, আবু সুফিয়ান, শের আলী, ফারহান আহমদ, আজিম খান, রুহেল আহমদ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ডালিম খান দৌলতপুর ইউনিয়নের দশপাইকা গ্রামের মৃত বন্দে আলী খানের ছেলে। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে ডালিম তৃতীয়। তিনি সুস্থ থাকাবস্থায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন। এছাড়াও সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন এলাকার ক্রিড়া ও সমাজসেবামূলক বিভিন্ন সংগঠনের সাথে।